অ্যালুমিনিয়াম খাতে সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে ইইউ

মার্কিন শুল্কের প্রভাব মোকাবেলায় অ্যালুমিনিয়াম খাতে সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে ইউরোপিয়ান কমিশন (ইসি)।

মার্কিন শুল্কের প্রভাব মোকাবেলায় অ্যালুমিনিয়াম খাতে সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে ইউরোপিয়ান কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি ইউরোপীয় স্ক্র্যাপ ধাতুর (পুরনো ধাতু) রফতানি শুল্ক প্রস্তাব করার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত স্টিল অ্যাকশন প্ল্যানের খসড়া নথিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ ও রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে। ফলে তাদের রফতানি কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমে যাওয়ায় ইউরোপসহ অন্যান্য বাজারে তাদের সরবরাহ বাড়তে পারে। এতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ তৈরি হবে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এসব পরিস্থিতি মোকাবেলায় সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

খসড়া নথিতে বলা হয়েছে, গত দশকে ইইউর উৎপাদকরা বাজারের বড় অংশ হারিয়েছে। পাশাপাশি ২০২১ সাল থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ প্রাথমিক উৎপাদন ক্ষমতা সীমিত রয়েছে।”সম্প্রতি ঘোষিত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালুমিনিয়াম শুল্ক পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন উৎস থেকে বাণিজ্য বিভ্রান্তির উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিও তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা গেছে, ইসি ২০২৬ সালের ১ জুলাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বিদ্যমান ইস্পাতের শুল্ক হার কোটাভিত্তিক একটি নতুন বাণিজ্য ব্যবস্থা প্রস্তাব করবে। এছাড়া চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্ক্র্যাপ ধাতু রফতানিতে শুল্ক ও সীমাবদ্ধতা আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জোটটি স্ক্র্যাপ ধাতুর ওপর ২৫ শতাংশ পর্যন্ত রফতানি শুল্ক বিবেচনা করছে।

এরই মধ্যে ইস্পাত শিল্পের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ব্লকটি, যার মধ্যে আমদানি সীমা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইইউ এরই মধ্যে ইস্পাত আমদানিতে সীমাবদ্ধতাসহ সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। এছাড়া গত ডিসেম্বরে মিশ্র ধাতু (অ্যালয়) সরবরাহবিষয়ক তদন্ত শুরু করেছে।

আরও